বীর্যবান পুরুষ গঠনে বীর্যমনি ফল বা মিচরিদানা খুবি উপকারী ভূমিকা রাখে।
বীর্যমনি গুঁড়ার উপকারিতাঃ
১.বীর্যমনী গুঁড়া শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
২.বীর্যমনী গুঁড়া পাউডার শুক্র গাঢ় করে।
৩.পাউডার চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়।
৪.স্নায়ুবিক দূর্বলতা দূর করে থাকে।
৫.দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে।
৬.পাউডার লিঙ্গ শৈথিল্য ও ধাতু দৌর্বল্য দূর করে।
৭.শারীরিক দুর্বলতা দূর করে।
বীর্যমনি বিভিন্ন রোগের উপসম করে।
এটা পুরুষের বীর্য ঘন করতে অতি কার্যকরী বলে একে বীর্যমনি নামে ডাকা হয়।
বীর্যমনি যথাযথ নিয়মে খেলে এসিডিটি, ধাতু দৌবল্য ও যৌন দুর্বলতা সহ বিভিন্ন রোগের উপসমে কাজ করে।
বীর্য হলো একাধিক তরলের সংমিশ্রণ যা পুরুষ প্রজনন তন্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থি হতে বিশেষ প্রক্রিয়ায় নির্গত হয়।
বীর্যে শুক্রাণু ছাড়াও অন্যান্য তরল উপাদান যেমন: ফ্রুক্টোজ , প্রোটিন, এনজাইম, জিঙ্ক, সাইট্রিক অ্যাসিড ও প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিদ্যমান থাকে।
এটা পুরুষের বীর্য ঘন করে বলে একে বীর্য মনি নামে বলা হয়।
এটা নিয়ম অনুসারে খেলে গ্যাস্টিক, ধাতু দুর্বলতা, যৌন দুর্বলতা সহ বিভিন্ন রোগের নিরাময়ের কাজ করে থাকে।
সেমিনাল ফ্লুইড বা বীর্য হল তরলের সংমিশ্রণ যা পুরুষ প্রজনন ট্র্যাক্টের বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে আসে এবং এতে শুক্রাণু কোষের পাশাপাশি অন্যান্য পদার্থ যেমন: ফ্রুক্টোজ, প্রোটিন, এনজাইম, জিঙ্ক, সাইট্রিক অ্যাসিড এবং প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন থাকে।
ব্যবহারবিধি:- বীর্যমনি ফল বা বীর্যমনি গুঁড়া খুবই উপকারী একটি ফল এটি সেবনের মাধ্যমে পুরুষের বীর্যের মান উন্নয়ন ঘটে। বীর্যমনি, শিমুল মূল, অশ্বগন্ধা, শতমূলী, তেঁতুল বীজ গুঁড়া,তালমাখানা, আলকুশি গুঁড়া, একত্রে নিয়মিত রাতে শোয়ার আগে প্রতিটা এক চামচ করে কুসুম গরম পানি অথবা কুসুম গরম দুধের সাথে মধু দিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। শুধু বীর্যমূল গুঁড়া পানির সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন।

Reviews
There are no reviews yet.